Kategori

Kategori

Label

Label

Popular

Flickr

Featured Posts

Saturday, 5 August 2017

কম্পিউটার ভাইরাস জিনিসটা আসলে কী?

- No comments


[ এটি মূলত একটি ভিডিও টিউন, তাই টিউন টি পড়ার আগে ভিডিও টি দেখে নিলে বুঝতে কোন কষ্ট হবে না। ]
আপনি হয়তো কাউকে বলতে শুনেছেন, "আমার কম্পিউটারে না ভাইরাস ঢুকেছে, এখন কিচ্ছু করতে পারছি না, কি যে করি!" আরেকজন হয়তো বলছে, "ভাইরাস আমার সব ফাইল ডিলিট করে দিয়েছে, কি করবো এখন?
যেই ভাইরাস আমাদের প্রতিনিয়ত এতো যন্ত্রনা দেয় সেই ভাইরাস টি আসলে কি জিনিস? সাধারণ অর্থে ভাইরাস হলো একটি ক্ষতিকারক বস্তু যার কাজই হলো ক্ষতি করা। তো এটি কিভাবে ক্ষতিসাধন করে? আমাদের দেহের ভেতর যখন ভাইরাস ঢুকে তখন এটি দেহের স্বাভাবিক কাজে বাঁধা দেয়, ফলে আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ি। একইভাবে যখন কোন কম্পিউটারের ভেতর ভাইরাস ঢুকে তখন সেই কম্পিউটারের স্বাভাবিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়, এমনকি অনেক সময় কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ ভাইরাস নিজের হাতে নিয়ে নেয়, ফলে কম্পিউটারটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাই সেই কম্পিউটার দিয়ে আপনি কোন কাজ করতে পারেন না।

★★★ Download Video & Audio ★★★


সহজ ভাষায় বলতে গেলে আমাদের আরো গভীরে যেতে হবে, বুঝতে হবে কম্পিউটার কি এবং এটি কিভাবে কাজ করে। একটি কম্পিউটারে সাধারণত দুইটি অংশ থাকে, যন্ত্র ও নির্দেশগুচ্ছ। যন্ত্রকে ডাকা হয় হার্ডওয়্যার এবং নির্দেশগুচ্ছকে ডাকা হয় সফটওয়্যার। হার্ডওয়্যার এর কাজ হলো সফটওয়্যার এর নির্দেশগুলো পালন করা। আপনি কম্পিউটার এর সাহায্যে যত ধরণের কাজ করেন তা কম্পিউটার সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে। কিন্তু এই নির্দেশগুলোর কোনটি ভালো আর কোনটি খারাপ তা বুঝার ক্ষমতা কম্পিউটারের নেই। অর্থাৎ কম্পিউটার বুঝতে পারে না কোন সফটওয়্যার টি ভালো আর কোনটি খারাপ।
আর কম্পিউটারের এই দুর্বল দিকটি কাজে লাগিয়ে একদল দুষ্ট সফটওয়্যার লেখক নিজের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য কিংবা স্রেফ দুষ্টোমি করার জন্য এমন ধরণের সফটওয়্যার লিখেন যার ভেতরে থাকে ক্ষতিকারক নির্দেশ, কিন্তু বাইরের চেহারায় ভালোমানুষি। এভাবে আপনার চোঁখে ধোকা দিয়ে এটি যখন ইমেইল অ্যাটাচমেন্ট কিংবা পেনড্রাইভ থেকে আপনার কম্পিউটারের ভেতর ঢুকে পড়ে আর না জেনে আপনি নিজেই এটি চালনা করেন তখন আপনি বুঝতেও পারলেন না যে নিজের অজান্তেই আপনি কম্পিউটারকে বলে দিলেন এই ক্ষতিকারক নির্দেশগুলো পালন করার জন্য।
আর যখনই নির্বোধ কম্পিউটার একটির পর একটি ক্ষতিকারক নির্দেশ পালন করা শুরু করলো আপনার কম্পিউটারও অসুস্থ হতে লাগলো। এই ক্ষতিকারক সফটওয়্যারটিকেই ডাকা হয় ভাইরাস। নানান ধরণের ভাইরাস রয়েছে আর এদের ক্ষতির ধরণও নানান রকম। কোন কোন ভাইরাস ফাইল ডিলিট করে দেয়, কোনটি কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় যাতে আপনি কোন কাজ করতে না পারেন। আবার অনেক ভাইরাস নিজেকে লুকিয়ে রেখে তথ্য চুরি করে।
ভাইরাস যে কতোটা ভয়ঙ্কর হতে পারে তার একটি ধারণা পাবেন গত মে মাসের বিশ্বব্যাপি সাইবার আক্রমন থেকে। গত মে মাসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভাইরাস গোটা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার এর ফাইল তালাবদ্ধ করে ফেলে এবং এসকল ফাইল পুনরোদ্ধারের জন্য তিনশো ডলার চাঁদা দাবি করে।ফলে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ব্যাংক, এটিএম বুথ এবং যোগাযোগ ব্যাবস্থা অচল হয়ে পড়ে।
ভাইরাস আমাদের জীবনে কতোটা ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে তা আপনি এতোক্ষনে নিশ্চয়ই বুঝে গেছেন। তাই পরের পর্বে আমরা দেখবো ভাইরাসের হাত থেকে আমাদের কম্পিউটারকে কিভাবে রক্ষা করতে হয়।

ইউটিউব থেকে ইনকাম করার কথা ভাবছেন কিন্তু কিভাবে শুরু করবেন বা কিভাবে কাজ করবেন কিছু বুঝতেছেন না ও যারা শুরু করেও অসফল তারা দেখুন।

- No comments
সবাই কেমন আছেন, আশা করি সবাই ভালো আছেন এই কামনা নিয়ে শুরু করছি আমার আজকের টিউন। আমার টিউনটি তাদের জন্য যারা ইউটিউব থেকে আয় করবেন বলে ভাবছেন কিন্তু শুরু করতে পারছেন না অথবা যারা শুরু করেও অসফল হয়েছেন তাদের জন্য। তবে আমার এ টিউনটি শেষ পর্যন্ত পড়বেন, আশা করি আজই শুরু করতে পারবেন। আমার এ লেখা অনুযায়ী ধাপে ধাপে কাজ করবেন অবশ্যই সফল হবেন। যে কোন কাজ করতে হলে আমি যে কথার উপর সবচেয়ে বেশি বিশ্বাসী সেই কথাটা দিয়েই শুরু করলাম, আর সেটা কথাটা হলো “আপিনি যে কাজটা করবেন সেই কাজ সম্পর্কে ভালোভাবে জানা”, না জেনে কোন কাজ করলে তার ফল ভালো হয় না। তাই আপনাকে কাজ শুরু করার আগে অবশ্যই কাজ সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে হবে। যাহোক, আমাদের আজকের কাজের বিষয় হলো ইউটিউব। এবার আসি ইউটিউব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায়- ইউটিউব কি? ইউটিউব হল বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং সাইট, যার মাধ্যমে যেকোন ইউজার নিজের ভিডিও আপলোড করতে পারে এবং অন্যদের আপলোড করা ভিডিওগুলোও দেখতে পারে। ইউটিউব ২০০৫ সালে প্রথম মুক্ত ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট হিসেবে যাত্রা শুরু করে এবং বর্তমানে এর জনপ্রিয়তা সবার শীর্ষে। এই ওয়েবসাইটের শ্লোগান হল “broadcast yourself”. ইউটিউব মার্কেটিং কি? যারা অনলাইনের সাথে জড়িত তাদের মধ্যে এমন কাউকে খুজে পাওয়া যাবে না যে ইউটিউবের নাম জানেনা বা ইউটিউবে ভিডিও দেখে না। বর্তমানে ভিডিও শেয়ারিং এবং দেখার জনপ্রিয় একটি সাইট হচ্ছে ইউটিউব। অথচ আমরা অনেকেই জানিনা যে ইউটিউব থেকেও ইনকাম করা যায়। ইউটিউব থেকে ইনকাম করার যে কার্য পদ্ধতি, এই পদ্ধতিকেও একরকম ইউটিউব মার্কেটিং বলা যায়। সোজা কথায়, ইউটিউবে ভিডিও আপলোড ও শেয়ার করে অর্থ উপার্জন করাকেই ইউটিউব মার্কেটিং বলে। প্রশ্ন উঠতে পারে, ইউটিউব কেন অর্থ প্রদান করে? এই প্রশ্নের উত্তর নিচে দেয়া আছে। ইউটিউব কেন টাকা দেয়: ইউটিউব হল গুগলের একটি জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিংসাইট, অ্যালেক্সা র্যাংকিং অনুযায়ী গুগলের পরেই এর স্থান (মানে ২ নম্বর সাইট)। ইউটিউব আপনাকে টাকা দেয়, কারন তারা (মানে ইউটিউব) আপনার ভিডিও-তে অ্যাড প্রকাশ করে আর অ্যাড পাবলিশারদের কাছ থেকে টাকা নেয় আর সেই টাকার একটা অংশ ইউটিউব রেখে, বাকি অংশ আপনাকে দেয়। ইউটিউবে আয় করতে প্রথম ধাপে যা লাগবে- ধৈর্য্য বা কাজ করার দৃঢ় মানসিকতা কম্পিউটার ইন্টারনেট যদি আপনার প্রথম ধাপের সব ঠিক থাকে তাহলে দ্বিতীয় ধাপে আপনার যা লাগবে- প্রথমে পছন্দ অনুযায়ী টপিক বা নিস নির্বাচন করুন। ইউটিউব ও গুগুলে গিয়ে আপনার নির্বাচিত টপিক দিয়ে সার্চ দিয়ে দেখুন সেগুলো দিয়ে কেউ সার্চ দেয় কিনা, সার্চ না দিলে এরকম টপিক নির্বাচন করুন যা দিয়ে লোকজন সার্চ দেয়। টপিক বা নিস নির্বাচন হয়ে গেলে ঐ টপিক বা নিস দিয়ে ইউটিউবে চ্যানেল তৈরি করুন। এবার চ্যানেলে সব ইনফরমেশান দিয়ে সুন্দরভাবে সাজান। আপনার নির্বাচিত টপিক বা নিস অনুযায়ী ডাটা সংগ্রহ করুন। ডাটা সংগ্রহ হলে এবার ভিডিও তৈরি করুন। ভিডিও তৈরির সময় অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যে, যতটা সম্ভব ভিডিওটা যেন প্রফেশনাল মানের হয়। আপনার নির্বাচিত টপিক বা নিস অনুযায়ী ভিডিওর জন্য টাইটেল, ডেসক্রিপশন এবং ট্যাগ তৈরি করুন। টপিক বা নিস অনুযায়ী প্রফেশনাল মানের থাম্বনাইল তৈরি করুন। সব কিছু প্রস্তুত হয়ে গেলে এবার ভিডিও আপলোড করুন। ভিডিও আপলোড হয়ে গেলে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন। যদি কারো এস.ই.ও জানা থাকে, তাহলে এস.ই.ও করতে পারেন। তবে টিউন শেষ করার আগে সবাইকে অনুরোধ করবো অন্যের ভিডিও নকল করে আপলোড করবেন না, এটা ইউটিউব অপছন্দ করে না, এমনকি আপনার চ্যানেল সাসপেন্ডও করে দিতে পারে। আপনি চাইলে ইউটিউব থেকে সারা জীবন আয় করতে পারবেন, তাহলে নকল করে কেন ঝুকি নিতে যাবেন। একটু মনযোগ সহকারে কাজ করলে আপনি অবশ্যই সফল হবেন আর ঘুড়ে যাবে আপনার জীবন গাড়ির চাকা এবং সফলতা আপনাকে হাত বাড়িয়ে ঢাকবে। আর এ কাজে সহযোগিতা প্রয়োজন, আমি তো আছি, প্রয়োজন হলে জানাবেন, অবশ্যই সহযোগিতা করবো। তবে আমি নিজে যেভাবে কাজ করছি তা সবার সাথে শেয়ার করলাম, ভালো লাগলে আমার গাইডলাইন ফলো করবেন। আর যদি ভূল হয় ক্ষমা-সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবন। সবাইকে শুভ কামনা জানিয়ে এখানেই শেষ করলাম আমার আজকের টিউন। আমার পরবর্তী টিউন টপিক বা নিস নির্বাচন সম্পর্কে সবাইকে দেখার আমন্তরন রইল। প্রয়োজনে ফেসবুকে আমি….. অনলাইনে ইনকাম করতে চান কিন্তু পারতেছেন না, আপনিও পারবেন দৈনিক ৩০০-৩৫০ টাকা ইনকাম করতে। পড়াশুনার পাশাপাশি বিনা পরিশ্রমে ইনকাম করে নিন হাজার হাজার টাকা। আপনি আমাদের সাইটের সথে থাকুন তাহলে ইনসা আল্লাহ আসতে আসতে আনেক কিছু শিখতে পারবেন ।

[HOT POST] যারা gpeasy net এ IP সমস্যার জন্য Free Net চালাতে পারছেন না, শুধু তারাই দেখুন সমাধান

- No comments
আসসালামু আলাইকুম..কেমন আছেন সবাই??? আশা করি জিপির ইজিনেটের সাথে সবাই ভালোই আছেন!!!কিন্তু যাদের IP প্রবলেমের জন্য ইজিনেট চালাতে পারছেন না তারা নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন: ১.প্রথমে আপনার ফোনের Setting এ যান। ২.তারপর Mobile Network এ যান। ৩.ওখান থেকে Network Oparetors এ যাবেন। ৪.তারপর Search Network এ ক্লিক করুন। ৫.সেখান থেকে Search Network Manually তে ক্লিক করুন। ৬.তারপর Grameenphone বাদে যে কোন একটা নেটওয়ার্ক সিলেক্ট করুন(Unable to connect network দেখাবে)। ৭.তারপর হোম বাটনে ক্লিক করে সেখান থেকে বের হয়ে এসে ডাটা কানেকশন কয়েকবার চালু আর বন্ধ করুন(ডাটা কানেকশন কিন্তু অন হবে না)। ৮.তারপর আবার Setting—Mobile Network এ গিয়ে Search Network Automatically তে ক্লিক করুন। ৯.তারপর হোমে গিয়ে ডাটা কানেকশন দিয়ে দেখুন IP PROBLEM SOLVED। ————————– ☺☺☺☺☺☺ তো আর কি…এখন চালাতে থাকুন আপনার সাধের GPEASYNET!!! আজ এ পর্যন্ত!!! সবাই ভালো থাকবেন আর Free Net & Youtube Zone এর পাশে থাকবেন!!! আল্লাহ হাফেজ……..